শরীয়তপুর লোকাল সাপোর্ট

শরীয়তপুরে পাসপোর্ট আবেদন ও রি-ইস্যু সেবা

নতুন পাসপোর্ট আবেদন, রি-ইস্যু এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করতে Urban IT-এর সহায়তা নিতে পারেন। তুলাসার, শরীয়তপুর থেকে অনলাইন আবেদন ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া বুঝতে আমরা সহযোগিতা করি।

ঠিকানাকোর্ট রোড, তুলাসার, সদর শরীয়তপুর, ৮০০০
ফোন01733592567
হোয়াটসঅ্যাপ01575819004

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

Urban IT একটি বেসরকারি সাপোর্ট সেন্টার। আমরা মূলত পাসপোর্ট আবেদনের ফর্ম পূরণ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গোছানোর কাজে সহায়তা করি। পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন, বায়োমেট্রিক, অনুমোদন ও পাসপোর্ট প্রদানের সম্পূর্ণ দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের।

পাসপোর্ট আবেদন সম্পর্কে

একটি নির্ভুল পাসপোর্ট আবেদন প্রস্তুত করতে আমরা গ্রাহকদের সাহায্য করে থাকি। অনলাইনে ফর্ম পূরণ করা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুছিয়ে দেওয়া এবং আবেদনের পুরো প্রক্রিয়াটি সহজভাবে বুঝিয়ে দেওয়াই আমাদের মূল কাজ।

তবে মনে রাখবেন, আমরা কোনো পাসপোর্ট ইস্যু করি না। পাসপোর্ট প্রদান এবং বায়োমেট্রিক ছবি ও আঙুলের ছাপ নেওয়ার সব কাজ সম্পূর্ণ সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

নতুন পাসপোর্ট আবেদন

যাঁরা প্রথমবারের মতো ই-পাসপোর্ট করতে চাচ্ছেন, তাঁদের জন্য সঠিক নিয়মে ফর্ম পূরণ করা খুব জরুরি। আবেদনকারীর বয়স ও পেশার ওপর ভিত্তি করে কাগজপত্রে কিছু ভিন্নতা থাকে। সরকারি নিয়ম মেনে আপনার আবেদনটি যেন নির্ভুল হয়, সেই ব্যাপারে আমরা সাহায্য করি।

পাসপোর্ট রি-ইস্যু

পুরোনো পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে বা পাতা ফুরিয়ে গেলে নতুন করে যে পাসপোর্ট করতে হয়, তাকে রি-ইস্যু বলা হয়। রি-ইস্যুর আবেদন করার সময় পুরোনো পাসপোর্টের তথ্যগুলো নির্ভুলভাবে দেওয়া খুবই জরুরি।

পাসপোর্টে আপনার ব্যক্তিগত কোনো তথ্য পরিবর্তন করতে চাইলে উপযুক্ত প্রমাণপত্র জমা দিতে হয়।

কী কী লাগবে?

আবেদনকারীর বয়স, পেশা এবং পূর্বের পাসপোর্টের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কাগজপত্রে কিছুটা ভিন্নতা থাকতে পারে। নিচে সাধারণ কিছু কাগজপত্রের তালিকা দেওয়া হলো:

  • এনআইডি (NID) আবেদনকারীর নিজের এনআইডি কার্ডের কপি। বয়স ভেদে বাবা ও মায়ের এনআইডির কপিও লাগতে পারে।
  • জন্ম নিবন্ধন আবেদনকারীর বয়স ১৮ বছরের কম হলে বা এনআইডি না থাকলে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রয়োজন হবে।
  • পুরোনো পাসপোর্ট যাঁরা পাসপোর্ট রি-ইস্যু করতে চান, তাঁদের ক্ষেত্রে পুরোনো পাসপোর্টের কপি লাগবে।
  • কাবিননামা বিবাহিত হলে বা পাসপোর্টে স্বামী/স্ত্রীর নাম যুক্ত করতে চাইলে।
  • এনওসি (NOC) বা পেশার প্রমাণপত্র সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবী কিংবা অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নিজ নিজ পেশার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় সনদ।
  • জিডি (GD) কপি আগের পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে বা চুরি হয়ে গেলে থানায় জিডি করে সেই কপি জমা দিতে হবে।

সরকারি ই-পাসপোর্ট ফি

সরকারি ই-পাসপোর্ট ফি পাসপোর্টের পৃষ্ঠা সংখ্যা, মেয়াদ এবং delivery type অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। নিচে বর্তমান ফি (১৫% ভ্যাট সহ) উল্লেখ করা হলো। (সূত্র: epassport.gov.bd)

পৃষ্ঠা ও মেয়াদ Regular Express Super Express
48 Pages, 5 Years 4,025 ৳ 6,325 ৳ 8,625 ৳
48 Pages, 10 Years 5,750 ৳ 8,050 ৳ 10,350 ৳
64 Pages, 5 Years 6,325 ৳ 8,625 ৳ 12,075 ৳
64 Pages, 10 Years 8,050 ৳ 10,350 ৳ 13,800 ৳

প্রসেসিং ও ডেলিভারি সময়

সরকারি নির্দেশিত সময় অনুযায়ী ই-পাসপোর্ট ডেলিভারির সময়সীমা নিচে দেওয়া হলো। সরকারি ভেরিফিকেশন বা অন্যান্য প্রক্রিয়ার কারণে এই সময় পরিবর্তিত হতে পারে:

  • Regular 15–21 working days
  • Express 7–10 working days
  • Super Express Within 2 working days

* সময়সীমা সাধারণত বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের পর থেকে হিসাব করা হয়।

Urban IT Service Charge

উপরের অর্থগুলো শুধুমাত্র সরকারি ই-পাসপোর্ট ফি। Urban IT-এর application assistance, form filling, document preparation, document checking এবং related support-এর জন্য প্রযোজ্য service charge আলাদা।

Current service charge জানতে Urban IT-এর সাথে যোগাযোগ করুন।

আবেদন প্রক্রিয়া

01
তথ্য ও কাগজপত্র যাচাই
02
আবেদন ফর্ম প্রস্তুত
03
প্রয়োজনীয় তথ্য ও ডকুমেন্ট যাচাই
04
সরকারি ফি ও আবেদন সংক্রান্ত guidance
05
Biometric enrolment প্রস্তুতি
06
সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন

সাধারণ জিজ্ঞাসা

১. নতুন পাসপোর্ট করতে কী কী কাগজপত্র লাগে?
সাধারণত আবেদনকারীর নিজের এনআইডি কার্ড বা জন্ম নিবন্ধন সনদ লাগে। বয়স এবং পেশার ওপর ভিত্তি করে বাবা-মায়ের এনআইডি, কাবিননামা বা পেশার প্রমাণপত্রও লাগতে পারে।
২. আমার এনআইডি (NID) কার্ড নেই, আমি কি পাসপোর্ট করতে পারব?
হ্যাঁ, আপনার এনআইডি না থাকলে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়েও আবেদন করা যায়। বিশেষ করে যাঁদের বয়স ১৮ বছরের কম, তাঁরা জন্ম নিবন্ধন দিয়েই পাসপোর্ট করতে পারেন।
৩. পুরোনো পাসপোর্ট রি-ইস্যু করতে হলে কী করতে হবে?
পুরোনো পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে বা পাতা ফুরিয়ে গেলে সেটি ব্যবহার করে নতুন করে আবেদন করতে হয়। যদি আপনি পাসপোর্টের কোনো তথ্য পরিবর্তন করতে চান, তবে তার স্বপক্ষে উপযুক্ত প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।
৪. ই-পাসপোর্ট করতে কত টাকা খরচ হয়?
সরকারি ফি নির্ভর করে পাসপোর্টের মেয়াদ, কত পৃষ্ঠার পাসপোর্ট এবং আপনি কত দ্রুত ডেলিভারি চাচ্ছেন তার ওপর। এর বাইরে ফর্ম পূরণ ও অন্যান্য সহায়তার জন্য Urban IT-এর একটি আলাদা সার্ভিস চার্জ থাকে।
৫. আবেদন করার পর পাসপোর্ট হাতে পেতে কতদিন লাগে?
আপনি রেগুলার, এক্সপ্রেস নাকি সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি বেছে নিয়েছেন, তার ওপর সময় নির্ভর করে। সাধারণত ২ দিন থেকে ২১ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যায়। তবে সরকারি ভেরিফিকেশনের কারণে এই সময় কমবেশি হতে পারে।
৬. Urban IT-এর সার্ভিস চার্জ কি সরকারি ফি-এর মধ্যেই ধরা হয়?
না, সরকারি ই-পাসপোর্ট ফি এবং Urban IT-এর সার্ভিস চার্জ সম্পূর্ণ আলাদা। সরকারি ফি সরাসরি ব্যাংকে জমা দিতে হয়, আর আমাদের সহায়তার জন্য আলাদা একটি ফি দিতে হয়।
৭. Urban IT থেকেই কি পাসপোর্ট দেওয়া হয়?
না, আমরা কোনো পাসপোর্ট ইস্যু করি না। আমরা শুধু আপনার আবেদনটি নির্ভুলভাবে প্রস্তুত করতে এবং কাগজপত্র গুছিয়ে দিতে সাহায্য করি। পাসপোর্ট ইস্যু করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের।

পাসপোর্ট আবেদন বা রি-ইস্যু করতে সহায়তা প্রয়োজন?

“নতুন পাসপোর্ট আবেদন, রি-ইস্যু, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত এবং অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে সহায়তা দরকার হলে Urban IT-এর সাথে যোগাযোগ করুন।”